জলির বোন দুধের শিশু অবস্থায় মারা যায় তাই দেখে বসন্ত স্বজন হারানোর দুঃখ পেয়েছিল। রবিন তুমি জানো স্বজন কাকে বলে?
- নো ডাডু। পাপা, হোয়াট ইজ সজন?
-খুব আপনার জন যেমন তুই আমার, বসন্ত এগিয়ে এসে রবিনকে কোলে নেয়। অনেকদিন পর তার কপালে স্নেহের পরশ রূপে গভীর চুমু খায়।
এলি খুব খুশি হয়, সে এসে বসন্তকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে। উঠে দাঁড়ায় অমিয়, এগিয়ে যায় জলির শেষ শয্যার দিকে। আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে, মুক্তি! তুমিতো এই দিনটার অপেক্ষায় ছিলে তাই না? চোখে জল এসে যায় তার। ততক্ষনে রবিন চলে এসেছে তার দাদুর কাছে। জিজ্ঞেস করে সে জলির কি হয়েছিল?
-জলি আমার আরেকটা ছেলের মত ছিল। সকাল বিকেল তার আবদার রাখতেই তোমার ঠাকুমার অবস্থা কাহিল হত। খুব চঞ্চল ছিল জলি। কিছুতেই একজায়গায় থাকত না তাই আমাদের খুব ভয় হতো। আমরা তখন ফরেস্টের কোয়াটারে থাকতাম তাই এদিক ওদিক ছুটে গিয়ে যদি জঙ্গলের বিপদের মুখোমুখি হত সে, সেই ভয় পেতাম সারাক্ষণ। জলি একটু বড় হলে আমি জঙ্গল সফরে জীপে ওকে সঙ্গে নিতাম। প্রতি সফরের পর তখন আমি সিগারেট খেতাম কারণ এই সফরে বন্দুক নিয়ে গেলেও সব সময় খুব টেনশনে থাকতাম আর সফর শেষে এই ধোঁয়ার টান আমায় রিলাক্স করতো। জলি কিন্তু একদম এই ধোঁয়া পছন্দ করত না সে যতটা রোমান্স ও আনন্দ পেত জঙ্গলের পথে ঠিক ততটাই বিরক্তি দেখাতো সফর শেষে। ওর এই না পছন্দ আমার খুব মজা লাগতো। আমিও আস্তে আস্তে পাখির কাকলি, পাতার মর্মর শব্দ, হরিণের লুকোচুরি আর বানরের ডাক শুনে আমার মনটাকে অন্যদিকে ভুলিয়ে রাখতে শিখলাম যাতে সিগারেট না খেতে হয়। আমার বন্ধুরা অবধি বলতো আমার গার্জেন হল আসলে জলি......
গল্পটির বাকি অংশ পড়তে গেলে "কল্পনার গল্পকথা" গল্পসমগ্র সংগ্রহ করুন।
গল্প পড়তে অনেকেই পছন্দ করেন। আমরা চেষ্টা করেছি "কল্পনার গল্পকথা" কে বিভিন্ন স্বাদের আটটি গল্প দিয়ে সাজাতে। আশা রাখি আমাদের এই প্রয়াস আপনাদের ভালো লাগবে। এটি একটি e book। যারা এই বই কখনো পড়েননি তাদের জানাই, এটি মোবাইল বা ট্যাব এ অত্যন্ত সহজে পেতে পারেন শুধুমাত্র shopizen app ডাউনলোড করে। "কল্পনার গল্পকথা" নিয়ে কিছু তথ্য.....
"আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহ দহন লাগে।
তবুও শান্তি, তবুও আনন্দ, তবুও অনন্ত জাগে…"
বর্তমান অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে কবির গানের কথাগুলো যেন সর্বদা প্রাণের স্বত্তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। সূর্যের গন্ধ মনে মেখে আমরা আশার আলোকে বাঁচিয়ে রেখে এগিয়ে চলেছি প্রতিনিয়ত। আমরা প্রবাসী চার বন্ধু, বাংলার থেকে দূরে এসে মাতৃভাষাকে আরো আঁকড়ে ধরার ইচ্ছে থেকেই শুরু সাহিত্য চর্চা। ধীরে ধীরে মনে বাসা বাঁধে কল্পনার নৌকা ভাসানোর স্বপ্ন। শুরু হয় অন্তরমহলে তোলপাড়, কথা ও কলমের মেলবন্ধনে সৃষ্টি হতে থাকে নানা কাহিনী। প্রত্যেকেই একক ভাবে সাহিত্য চর্চা করলেও "শাম্ভবী" নামে যৌথ আত্মপ্রকাশ ঘটে আমাদের গল্পগাঁথার। পারমিতা কর, তনুশ্রী গড়াই, সুস্মিতা বিশ্বাস এবং নীলাঞ্জনা সরকার এর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় "শপিজেন বাংলা" থেকে ২০শে ডিসেম্বর ২০২০ তে প্রকাশিত হয়েছে "শাম্ভবীর" গল্প সংকলন....‘কল্পনার গল্পকথা’ ডিজিটাল মাধ্যমে। এই বইটিতে ভিন্ন স্বাদের গল্পগুলির মধ্যে একদিকে রয়েছে জীবন দর্শনের সঙ্গে জঙ্গলের রোমাঞ্চ, ভালোবাসার স্পর্শ, বিরহ বেদনা তেমন আবার অন্য দিকে আছে মরনোত্তর জীবনের কথাও। এই গল্পকথার জাদুকাঠির ছোঁয়ায় এক নিমেষে সকল অনিশ্চয়তা পার করে খুঁজে নেওয়া যায় সেই হারানো গল্পগুলিকে যার অনুপ্রেরণায় আজও মন ভালোবাসা দিতে চায় আর পেতে চায় অন্তহীন শুভকামনা।
#শপিজেন_বাংলা মাধ্যমে '#কল্পনার_গল্পকথা' ই-বুকটি সংগ্রহ করার পদ্ধতি👇
১]আপনার মোবাইলের প্লে-স্টোরে Shopizen টাইপ করে অ্যাপটি ইনস্টল করে "সাইন ইন উইথ গুগলে" ক্লিক করে শপিজেন বাংলা অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
২] পেইড বুকসের তালিকা থেকে 'কল্পনার গল্পকথা' টাইপ করে ই-বুকটিকে কার্টে যুক্ত করুন।
৩] নিজের পছন্দ মতো অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে ই-বুকটি কিনুন।
৪] আপনার শপিজেন অ্যাকাউন্টের অন্তর্গত 'আমার বইগুলি বা অর্ডারসে' ই-বুকটি তৎক্ষণাৎ চলে আসবে।
নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করেও আপনি 'কল্পনার গল্পকথা' ই-বুকটি সংগ্রহ করতে পারেন।
'কল্পনার গল্পকথা' ই-বুকটির লিংক👇


No comments:
Post a Comment