Wednesday, May 12, 2021
হালুয়া.....নীলাঞ্জনা সরকার
কাছে-দূরে...নীলাঞ্জনা সরকার
মৃণালিনী বারান্দায় দাঁড়িয়ে বিকেলের আকাশ দেখছিলেন। সন্ধে হলেই স্বাধীনতা সমাপ্তির পথে। তার অবশ্য কোনও অভিযোগ নেই, শুধু বাকিদের কাছে যদি আর একটু সময় পেতেন তাহলে ভালো লাগতো এই আর কি! কিছুদিন আগেই সামনের ফ্ল্যাটে এক বিপত্নীক ভদ্রলোক তার ছেলেকে নিয়ে উঠেছেন। একদিন চোখাচোখি হয়ে গেল দুজনের।
মেয়ে সৌমি তার পরীক্ষার কিছু প্রজেক্ট করছে কয়েকদিন বাড়িতে থেকে। মায়ের পরিবর্তন তার চোখ এড়ায় না। স্বামী অখিলেশেরও খারাপ লাগলো যখন এক রবিবার মৃণালিনী সিনেমা দেখতে যাচ্ছেন বলে বেরিয়ে পড়লেন। সেদিন মা ফিরলে মেয়ে বললো,
- তোমার কি মাথা খারাপ হলো? বাপি কিন্তু আজ খুব দুঃখ পেয়েছে।
- কেন রে! সিনেমা দেখা কি খুব অপরাধের?
- কিন্তু তুমি কার সাথে গেলে!
- আমার ছোটবেলার.....
তার কথা শেষ হয় না, মেয়ে চলে যায়। অভিমানে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করেন মৃণালিনী। মেয়ে ভূমিষ্ট হলে সারা রাত ঘুমাননি, বসেছিলেন...তার ছোট্ট আঙ্গুল বার বার ছুঁয়ে দেখেছিলেন। গালে হাত বুলিয়ে দিয়েছিলেন কতবার!
সকালে আবার মৃণালিনী ব্যাক টু সংসার। অখিলেশ কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। মৃণালিনী কিন্তু একইভাবে চলছিলেন সংসার আর নিজের খুঁজে পাওয়া এক সম্পর্ক সামলে।
ধীরে ধীরে ধৈর্য্য হারালেন অখিলেশ। একদিন দেখেন স্ত্রী কিছু বানাচ্ছেন...চারপাশে রঙিন কাগজ। সেদিন কৌতূহল চেপে রেখে পরদিন স্ত্রী বেরোলেই তাকে অনুসরণ করলেন তিনি। দুজনকে ফুচকা খেতে দেখে অখিলেশ মুখ ঘুরিয়ে নিলেন। তারপর ওরা একটা পার্কে বসলে কোনরকমে চোখ বাঁচিয়ে একটু আড়ালে দাঁড়ালেন ওদের হাতেনাতে ধরবেন বলে।
- এই নে তোর গিফ্ট....
- ওরে, দারুণ বানিয়েছিস তো! তোর হাতের কাজ এখনও সুন্দর। 'হ্যাপি ফ্রেন্ডশিপ ডে'...
- সত্যি রে, তোর সাথে এত বছর পর দেখা হবে ভাবিনি। মলি বেঁচে থাকলে খুব খুশি হতো জানিস! একদিন আয় আমার বাড়ি।
অখিলেশ চমকে যায়, লজ্জা পায়। স্ত্রীর বন্ধু! এত বছরের দাম্পত্যে মৃণালিনীর ভালোবাসা আজও তার কাছে কাগজের খেয়ার মত....একটুতেই ছিঁড়ে যাওয়ার ভয়! কিন্তু কেন? মৃণালিনী তো খুব সুন্দর করে জুড়তে পারেন কাগজের প্রতিটি ভাঁজ... অখিলেশ ঠিক করেন বছরের সব দিনেই মৃণালিনীর জীবনে নিয়ে আসবেন এমনই মধুর ফ্রেন্ডশিপ ডে।
প্রেম ডট কম... নীলাঞ্জনা সরকার
একটুখানি খোলা আকাশ দেখার সৌভাগ্য যে কবে হবে! নির্মল দীর্ঘশ্বাস ফেলে...সব সুখ বিলীন হয়ে গেছে মৃন্ময়ীর সাথে। মনে আনাগোনা করে মৃন্ময়ীর সাথে...
-
আমি সিন্ধু ঘোষ, একজন ছাপোষা কেরানি। বাড়িতে বউ, এক মেয়ে আর আমার বৃদ্ধা মা। সবসময়ে একটা নিঝুম ভাব আমার গৃহস্থালীতে। দূরে খুব একটা বেড়াত...
-
গানগুলো আগের থেকে একটু বেসুরো। নোংরায় হাত দিয়ে ফেলেছি যে... তুমি তো এখন আর হাত ধুঁয়ে দাও না! তোমার আঁচলে চোখের কালি ঠিক করে দাও না! আ...

