গানগুলো আগের থেকে একটু বেসুরো।
নোংরায় হাত দিয়ে ফেলেছি যে...তুমি তো এখন আর হাত ধুঁয়ে দাও না!তোমার আঁচলে চোখের কালি ঠিক করে দাও না!আমি ওই হাতেই স্বরলিপি লিখি রোজ...মা।নিজের সাথে চোখাচোখি হতেই -তোমার ঘামের গন্ধটা আসে বুকের মধ্যে।ধুলো বন্দি হয় সামনের কাঁচেতে, ওগুলো পরিষ্কার হবে না আর।সমুদ্রের মত প্রশস্ত অন্ধকারে কোথায় খুঁজব বলতোনুন হলুদ লাগা স্বচ্ছ পোস্টকার্ডগুলো!আমি যে নোংরায় হাত দিয়ে ফেলেছি মা!চেনা পথের বাঁকে আসলে আমি অন্ধতোমায় ছাড়া একাই পথে ভাসিয়েছিলাম খেয়া।সাজিয়েছিলাম ফুল দিয়ে,কৃত্তিম আলোয় বেজে উঠেছিল পাহাড়িয়া সুরবুঝিনি একটা ফাটল ছিল বড়!যেখানে কেউ নেই...তুমিও নেই...থেকেও নেই!আসলে আমি সত্যিই অন্ধ, বুঝি...তাই তো, আমি হাত দিয়ে ফেলেছি নোংরায়!ভাবতাম কিছু ক্ষেত্রে ফেলে আসলে কষ্ট হয় না!তাই একধামা মুড়ির মুহূর্তকে রেখেছিলাম অনেক দূরকিন্তু স্মৃতিতে এখনও অবসরের গল্পের গন্ধএকটা নির্দিষ্ট বর্গক্ষেত্রের বৃষ্টি আমায় আকুল করে,কিন্তু জলীয় বাষ্প আমায় বেশি টানে-আঁকিবুঁকিতে সেখানে তোমার ছবি আঁকি...চাইলে হাতটা ভিজিয়ে রাখতে পারি তাতে, যাতে-উত্তাপে নোংরাগুলো মরে যায়, কারণ-তুমিতো আজকাল কিছুই বলো না, বারণও করো নাতাই বার বার নোংরায় হাত দিয়ে ফেলি আমি।।

অসাধারণ কবিতাটি। ❤️
ReplyDeleteছবিটিও খুব সুন্দর লাগলো, একদম মানানসই হয়েছে কবিতার সঙ্গে।❤️
ReplyDeleteখুব ভালো হয়েছে
ReplyDeleteভালো লাগল
ReplyDelete
ReplyDeleteঅপূর্ব
bah
ReplyDelete