সেদিনের সেই পদ্ম সরোবর আজ অন্ধকারে যেন দানবীয় রূপ নিয়েছে - কাছে যেতে ভয় করছে! সেই জলে নামল সে.. স্নান করে উঠে এলো, তার গায়ের মাটি ধুঁয়ে গেছে তবু সারা শরীরে এক অদ্ভুত তেজ। অর্কর কোনোদিন এসবে বিশ্বাস নেই বরাবর এগুলোকে সে ভন্ডামি বলেই পরিচয় দিয়েছে কিন্তু আজ সেও বাকরুদ্ধ। ঘাটে দাঁড়িয়ে তান্ত্রিক তার লম্বা চুলে খোঁপা করলো - এখানে কিছুটা হলেও চাঁদের আলোতে আঁধার আলোকিত হয়েছিলো তাতে পদ্ম ফুলের জলরাশির মাঝে এক দীর্ঘ পুরুষ জটা সহ যেন শিবের এক প্রকাণ্ড রূপ কিন্তু এ রূপে মায়া কই! এ তো চরম হিংস্রতার বহিঃপ্রকাশ। এ পুরুষ তো শুধু ছাগল বলি দিয়ে থামবে না....
মায়া অমাবস্যা ঠিক যেন এক নাগপাশের গল্প। যেখানে মানুষ বেপরোয়া। অথচ সে জানে না তাকেও রাতের অন্ধকারে কেউ নজর রাখে, অপেক্ষা করে সঠিক সময়ের। অমাবস্যা কিন্তু সব সময়ে অন্ধকারকে ডেকে আনে না। গল্পটি সম্পূর্ন পড়তে গেলে সংগ্রহ করুন "কুহক" গল্প সমগ্র (ই বুক)। বইটি monomousumi website এবং google play store এ পাওয়া যাবে।


No comments:
Post a Comment